ঢাবিতে পাস মার্ক কিভাবে নির্ধারিত হয়?
৯৯% স্টুডেন্ট ঢাবির এই তথ্য নিয়ে কনফিউজড যে ঢাবিতে পাস মার্ক কিভাবে নির্ধারিত হয়? এই কনফিউশান এখনই দূর করে নাও।
💝 বিজ্ঞান ইউনিট ( A ইউনিট)
👉এমসিকিউতে ৬০ এ ২৪ পেলে পাস।
👉আর রিটেনে ৪০ থেকে ১৬ পেলেই পাশ। 👉আর মোট ১০০ থেকে ৪০ পেলেই পাশ। আলাদা করে কোন বিষয়ে পাশ করতে হবে এমন কোনো শর্ত নেই। কিন্তু সাবজেক্ট পাওয়ার ক্ষেত্রে নাম্বার ভালো পাওয়ার শর্ত আছে। যেমন গণিত পেতে গেলে ভর্তি পরীক্ষায় গণিতে ১০ পেতে হবে,সিএসসি পেতে গেলে গণিতে ১৫ ও ফিজিক্সে ১৫ পেতে হবে।না হয় এই সাব্জেক্ট পাওয়া যাবে না। ফার্মেসী পেতে গেলে রসায়নে ১২.৫ ও জীববিজ্ঞানে ১২.৫ পেতেই হবে।
আর সাবজেক্ট ভিত্তিক শর্ত পূরণ করতে হবে এমসিকিউ+ রিটেন মিলিয়ে। শেষ সময়ে সাইন্স সামিট ও রিটেন সামিট বিজ্ঞান বই পড়লেই প্রিপারেশন কমপ্লিট ইনশাআল্লাহ ।
💝 মানবিক + বিভাগ পরিবর্তন (খ ইউনিট)
👉এমসিকিউ পার্ট -
বাংলা ও ইংরেজিতে আলাদাভাবে এমসিকিউতে কমপক্ষে ৫ পেতেই হবে,এবং সাধারণ জ্ঞানে ১০। না হয় ফেইল। আর এমসিকিউতে মোট ২৪ এর নিচে পেলে ফেইল।
👉রিটেন অংশ-
মোট ১১ পেতেই হবে। কিন্তু আলাদাভাবে বাংলায় ৫ ও ইংরেজিতে ৫ না পেলে ফেইল।ইংরেজি বিষয় পেতে গেলে ইংলিশে এমসিকিউ +রিটেন মিলিয়ে ১৫ পেতে হবে।
👉এমসিকিউ + রিটেন মিলে সর্বমোট ১০০ থেকে ৪০ পেলে পাশ। রিটেনের জন্য রিটেন সামিট বইটি পড়লেই হবে ইনশাআল্লাহ।
💝 ব্যবসায় শিক্ষা শাখা
👉 এমসিকিউ অংশ-
ইংলিশে সর্বনিম্ন ৫ পেতে হবে। না হয় ফেইল। আর সর্বমোট ২৪ পেতে হবে।
👉 রিটেন অংশ-
সর্বনিম্ন ১১ পেতে হবে, না হয় ফেইল।
👉এমসিকিউ + রিটেন মিলে সর্বমোট ১০০ থেকে ৪০ পেলে পাশ। সাবজেক্ট পাওয়ার ক্ষেত্রে আলাদা কোন শর্ত নেই।

No comments